ইতিহাস মানুষকে আনন্দ দেয়, দিক নির্দেশনা দেয় এবং উজ্জিবীত করে। পশ্চিম বিনাজুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টার কথা লিখতে গিয়ে আমার স্মৃতির পাতায় যে যে কথাটি বাব বার মনে পড়ে সেটা হলো- ১৯৯৪ সালে বিনাজুরী সোনাইরমুখ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ক্ষেমেশ শীলের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্টানে প্রধান অতিথির ভাষন দিতে গিয়ে আমি এক পর্যায়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে গিয়ে দীর্ঘদিনের লালিত চিন্তা চেতনা বাস্তবায়নের জন্য "পশ্চিম বিনাজুরী উচ্চ বিদ্যালয়" প্রতিষ্টা করার কথা উপস্থিত গ্রামের জনসাধারনের কাছে ঘোষনা করি। এই শুভ ঊদ্দ্যোগের পথ ধরে বিনাজুরী গ্রাম এবং শহরবাসীর সকল যুব সম্প্রদায়ের সমন্বয়ে হাটি হাটি পা পা করে গড়ে উঠেছে আজকের এই প্রানোজ্জল এবং অত্র এলাকার আলোকবর্তিকা পশ্চিম বিনাজুরী উচ্চ বিদ্যালয়।
এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্টার কারনে ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ও শিক্ষার মান বৃদ্বি পাচ্ছে। সুদক্ষ পরিচালনা কমিটি ও সুযোগ্য প্রধান শিক্ষকের তত্বাবধানে দিন দিন শিক্ষার মান ও অবকাঠামো উন্নয়ন সত্যিই দৃশ্যমান। এমতাবস্থায় শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবকের সমন্বিত প্রচেষ্টায় ভবিষ্যতে বিদ্যালয়ের সমৃদ্বি আরো বৃদ্বি পাবে এ আশা পোষণ করছি।
বিদ্যালয়য় প্রতিষ্টাকালে যাদের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করেছি এবং যাদের একান্ত প্রচেষ্টা ও সহযোগীতায় এই বিদ্যলয় প্রতিষ্টা লাভ করেছে সেই সকল বন্ধু ও মুরুব্বীদের জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ। আর আমাদের প্রিয় প্রতিষ্টানকে ছেড়ে যারা চির বিদায় নিয়েছেন- সলিল কান্তি বড়ুয়া, মিলন কান্তি বড়ুয়া, শ্রীমান বড়ুয়া, সমীরন বিকাশ বড়ুয়া ও যীশু কুমার বড়ূয়াকে গভীর শ্রদ্বার সাথে স্মরন করছি। প্রতিষ্টালগ্নে বিদ্যালয়ে ভূমিদাতা, অর্থদাতা, পৃষ্টপোষক, হিতাকাঙ্ক্ষী সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
এছাড়া পশ্চিম বিনাজুরী, মধ্যম বিনাজুরী, ইদিলপুর ও মোবারকখীল এলাকার অভিভাবকবৃন্দ তাদের ছেলে মেয়েদেরকে আমাদের বিদ্যালয়ে অধ্য্যয়ন করার সুযোগ করে দিয়ে বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্বি করেছেন তজ্জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি এবং ভবিষ্যতেও বিদ্যালয়ের প্রতি সুদৃষ্টি দিবেন এ প্রত্যশা রইল।